সৌজন্যে :ইন্টারনেট -সোমবার প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী,৯জুলাই বিকেল ৫টা থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য জারি থাকবে লকডাউন।জরুরি পরিষেবা ছাড়া সমস্ত কাজ বন্ধ থাকবে এই এলাকাগুলিতে। বন্ধ থাকবে সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি অফিস।নিয়ন্ত্রণে আসেনি করোনা পরিস্থিতি। তাই এবার কনটেন্টমেন্ট জোনগুলিতে ফের লকডাউন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন।
শহর কলকাতার ৩৩ টি কনটেইনমেন্ট জোনে জারি করা হবে লকডাউন। এগুলি হল ১১, এলগীন রোড ২, জাস্টিস মহাদেব চন্দ্র রোড, শরৎ বোস রোড, চক্রবেরিয়া রোড, জহরলাল দত্ত রোড, উল্টোডাঙা মেইন রোড, অধর চন্দ্র দাস রোড, অজির চৌধুরী রোড, আরিফ রোড, সুরেন সরকার রোড, চাউল পট্টি রোড, খোদাগঞ্জ মেইনরোড, রামকৃষ্ণ নস্কর রোড, বেলভেডিয়ার রোড, রাজা সন্তোষ রায় রোড, ৩,আলিপুর রোড (সত্যম টাওয়ার), জাজেস কোর্ট রোড , বাগমারি রোড, মানিকতলা মেইন রোড, পি ১২ সিঅইটি, বিধান নগর রোড, হাডকো হাউসিং, ২,বিজয় গড়, ৪,বিজয় গড়, নারকেল বাগান, বাপুজি নগর, এন ব্লক নিউ আলিপুর, ডি ব্লক নিউ আলিপুর, জি ব্লক নিউ আলিপুর, ডঃ জি এস বোস রোড, সুইনহো লেন,পূ র্বালক মুকুন্দপুর, সার্ভে পার্ক। আবাসনগুলিতে পুরসভায় স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। যার দরুন তারা সতর্ক করতে পারছেন না। আবাসনে বসবাসকারীদের নিজের থেকে অতিরিক্ত সতর্ক হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইতিমধ্যে রাজ্য প্রশাসনের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাতটি জেলা। সেগুলো হল কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, শিলিগুড়ি, মালদা এবং দুই চব্বিশ পরগনা। সোমবার এই সব জেলার জেলা শাসকদের কাছে লকডাউন নিয়ে প্রস্তাব পাঠাতে বলেন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা। সেই অনুযায়ী জেলাগুলি নিজেদের এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট পাঠিয়েছে নবান্নে।
অন্যদিকে নবান্ন সূত্রের খবর, এই সপ্তাহের মধ্যেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন। তা নির্দেশিকা আকারে প্রকাশ করবেন মুখ্যসচিব। তবে শুধু উত্তর চব্বিশ পরগনা নিয়ে আলাদা করে সিদ্ধান্ত হবে না। চিহ্নিত জেলাগুলো নিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।