বর্ধমান রাজনীতি দেশ-বিদেশ দক্ষিণবঙ্গ ক্রাইম স্বাস্থ্য ধর্ম লাইফ-স্টাইল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি চাকরি কৃষি-কাজ রেসিপি ক্রিকেট ফুটবল
---Advertisement---

অনুব্রতের পার্টি অফিসে তালা ঝোলাল বিজেপি

Published on: July 7, 2026
---Advertisement---

Join WhatsApp

Join Now

অনুব্রতের পার্টি অফিসে তালা ঝোলাল বিজেপি! ক্ষুব্ধ যুব মোর্চার বিস্ফোরক অভিযোগ

বোলপুর: ফের একবার রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রে বীরভূম। বীরভূম জেলা তৃণমূলের প্রধান কার্যালয়— যা এলাকায় ‘অনুব্রত মণ্ডলের কার্যালয়’ হিসেবেই সমধিক পরিচিত— সেখানে তালা ঝুলিয়ে দিল বিজেপি কর্মীরা। মঙ্গলবার সকালের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

কী ঘটেছিল মঙ্গলবার সকালে?

অন্যান্য দিনের মতোই মঙ্গলবার সকালেও বোলপুরের এই তৃণমূল কার্যালয় খুলেছিলেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ, অফিস খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে বেশ কয়েকজন যুবক এসে উপস্থিত হন। তাঁরা নিজেদের বিজেপি কর্মী পরিচয় দিয়ে পার্টি অফিসের ভেতরে থাকা তৃণমূলের লোকজনকে তৎক্ষণাৎ বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। কোনও রকম বড় বিবাদে না জড়িয়ে তৃণমূল কর্মীরা অফিস থেকে বেরিয়ে যান। এরপরই কার্যালয়ের মেইন সুইচ বন্ধ করে দিয়ে, দুটি প্রধান গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

কেন এই তালাবন্দি? বিজেপির মূল অভিযোগগুলি কী কী?

বিজেপি তথা বোলপুর সাংগঠনিক জেলা যুব মোর্চার পক্ষ থেকে এই ঘটনার পেছনে মূলত দুটি বড় কারণ দর্শানো হয়েছে:

  • পুরপরিষেবা স্তব্ধ করার চক্রান্ত: বিজেপির অভিযোগ, লোকসভা ভোটের পর এই কার্যালয় থেকেই তৃণমূলের পুরপ্রতিনিধি ও পুরপ্রধানদের কাজ না করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে বোলপুর-সহ বিভিন্ন পুরসভায় সাধারণ মানুষ নূন্যতম নাগরিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
  • ভোট পরবর্তী হিংসার আঁতুড়ঘর: যুব মোর্চার দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর এই অফিসেই বসে এলাকা জুড়ে ভোট পরবর্তী হিংসার নীলনকশা তৈরি করা হয়েছিল।

“বোলপুর পুরসভার কোনও ওয়ার্ডেই কোনও কাজ হচ্ছে না। এই পার্টি অফিস থেকেই কাউন্সিলারদের কাছে নির্দেশ যাচ্ছে। কাউন্সিলাররা পদত্যাগও করছে না, আবার কাজও করছে না। শুধু ঘরে বসে আছে। তাই আমরা এই পার্টি অফিসে তালা মারলাম।”অরুণ দাস (সাধারণ সম্পাদক, বোলপুর সাংগঠনিক জেলা যুব মোর্চা)

তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

দলীয় কার্যালয়ে এভাবে তালা মেরে দেওয়ার মতো নজিরবিহীন ঘটনা ঘটলেও,এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব বা স্থানীয় কোনও নেতার তরফ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এই ঘটনার পর বোলপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি থমথমে। পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে কি না, সেদিকেই নজর সকলের।

Join Telegram

Join Now