বর্ধমান রাজনীতি দেশ-বিদেশ দক্ষিণবঙ্গ ক্রাইম স্বাস্থ্য ধর্ম লাইফ-স্টাইল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি চাকরি কৃষি-কাজ রেসিপি ক্রিকেট ফুটবল
---Advertisement---

রামনবমীতে কড়া নিরাপত্তা,হাওড়া-চন্দননগর-ইসলামপুরে বাড়তি নজর

Published on: March 26, 2026
---Advertisement---

Join WhatsApp

Join Now

রামনবমীতে কড়া নিরাপত্তা বলয়ে রাজ্য! হাওড়া-চন্দননগর-ইসলামপুরে বাড়তি নজর

রামনবমী উপলক্ষে সম্ভাব্য অশান্তি এড়াতে রাজ্য জুড়ে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় রামনবমীর শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে বুধবার নবান্নে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমস্ত জেলার ডিএম, এসপি ও সিপি-দের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিয়ালা। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) সহ শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মিছিলকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য পুলিশকে একাধিক কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে হাওড়া, চন্দননগর ও ইসলামপুরে বাড়তি সতর্কতা জারি থাকবে, কারণ অতীতে এই এলাকাগুলিতে অশান্তির নজির রয়েছে। রাজ্য জুড়ে প্রায় ৩ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে কলকাতার জন্যই রাখা হয়েছে প্রায় এক হাজার পুলিশ। প্রয়োজনে সিআরপিএফ মোতায়েনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় উসকানিমূলক পোস্ট ঠেকাতে সাইবার নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। বৈঠক থেকে সমস্ত জেলা প্রশাসনকে ২৬ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত বিশেষভাবে এই নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনেই শোভাযাত্রা আয়োজন করতে হবে। কোনওভাবেই অস্ত্র নিয়ে মিছিল করার অনুমতি নেই। নিয়ম ভাঙলে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময় ও রুট মেনেই মিছিল করতে হবে এবং শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ৫০০-র মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। নজরদারির জন্য নবান্নে কন্ট্রোল রুমও চালু থাকবে।

কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকেও শহরের বিভিন্ন রাস্তায় অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। লালবাজার সূত্রে খবর, এ বছর শহরে প্রায় ৬০টি মিছিল বের হওয়ার কথা, যার মধ্যে পাঁচটি বড় মিছিল শুরু হবে এন্টালি, পিকনিক গার্ডেন, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, হেস্টিংস ও কাশীপুর থেকে। প্রতিটি মিছিলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ডিউটিতে থাকা পুলিশকর্মীদের শরীরে থাকবে ‘প্রোটেকটিভ গিয়ার’, যাতে যে কোনও হামলার পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

মিছিলগুলির উপর ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। মিছিলের আগে ও পরে থাকবে পুলিশি পাহারা, সঙ্গে থাকবে পর্যাপ্ত পুলিশ ভ্যান। আশপাশের এলাকাতেও টহলদারি জোরদার করা হবে। বাইক নিয়ে মিছিলে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট রুট ছাড়া অন্য কোথাও মিছিল করার অনুমতি নেই। গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলিতে বসানো হচ্ছে অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা, যা থেকে সারাক্ষণ নজরদারি চালাবে পুলিশ। পাশাপাশি, ডিউটিতে থাকা পুলিশকর্মী ও আধিকারিকদের ইউনিফর্মে থাকবে বডি ক্যামেরা।

Join Telegram

Join Now