উদ্ধারকার্য ও হতাহতের সংখ্যা
- মৃত্যু ও উদ্ধার: দুর্ঘটনা এপর্যন্ত মোট ২১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৮ জন জীবিত।
- আটকে থাকার আশঙ্কা: ধ্বংসস্তূপের ভেতরে এখনও আনুমানিক ১২ থেকে ১৮ জন আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
- চিকিৎসা: আহতদের গ্রিন চ্যানেল তৈরি করে দ্রুততার সঙ্গে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার CMOH-এর নেতৃত্বে ২০টি অ্যাম্বুল্যান্স একটানা কাজ করছে।


যৌথ উদ্ধার অভিযান
মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধারকাজে জড়িত সব সংস্থাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে:
- কলকাতা পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্স (Civil Defense)
- রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর
- দমকল বাহিনী
- এনডিআরএফ (NDRF) এবং সেনাবাহিনী (Army) (দুপুর ৩টে ১৫-২০ নাগাদ সেনা উদ্ধারকাজে নামে)।
দুর্ঘটনার কারণ ও তদন্ত
- ত্রুটিযুক্ত প্ল্যান: কলকাতা পুরসভার (KMC) ইঞ্জিনিয়ারদের প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, বিল্ডিংয়ের প্ল্যানে ত্রুটি ছিল। ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬-এ এই বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
- তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপ: ‘Behera Brothers’-এর পার্টনার শম্ভুনাথ বেহেরা নামে এক ব্যক্তির কাছে এই নির্মাণের কনট্র্যাক্ট ছিল। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন। আজ রাতেই কারিগরি বিশেষজ্ঞদের চূড়ান্ত রিপোর্ট পাওয়া যাবে।
গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ঘোষণা
- বাণিজ্যিক নির্মাণ বন্ধ: হাসপাতাল বা সেনার জরুরি নির্মাণ ছাড়া রাজ্যের সমস্ত ধরণের বাণিজ্যিক ও সাধারণ নির্মীয়মাণ কাজ আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
- বাধ্যতামূলক অডিট: এই সময়ের মধ্যে সমস্ত নির্মাণের অডিট বা নথিপত্র পরীক্ষা করা হবে। যাদের সব কাগজপত্র ঠিক থাকবে, তারা আগামী ১ অগস্ট থেকে পুনরায় কাজ শুরু করতে পারবে।
- ক্ষতিপূরণ: বিধানসভা অধিবেশন চলায়, ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত যাবতীয় ঘোষণা আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১টায় অধ্যক্ষের অনুমতি নিয়ে বিধানসভাতেই বিবৃতি আকারে জানাবেন মুখ্যমন্ত্রী।












