বর্ধমান রাজনীতি দেশ-বিদেশ দক্ষিণবঙ্গ ক্রাইম স্বাস্থ্য ধর্ম লাইফ-স্টাইল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি চাকরি কৃষি-কাজ রেসিপি ক্রিকেট ফুটবল
---Advertisement---

মিশন শেষে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ ৪ মহাকাশচারীর

Published on: April 11, 2026
---Advertisement---

Join WhatsApp

Join Now

চন্দ্রাভিযানে নতুন মাইলফলক! মহাকাশে সর্বাধিক দূরত্ব অতিক্রম করে মিশন শেষে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ ৪ মহাকাশচারীর

প্রায় অর্ধশতক পর চন্দ্রাভিযানে নজির গড়ল আর্তেমিস ২ মিশন। এই অভিযানে চার মহাকাশচারী পৃথিবী থেকে মোট ৪,০৬,৭৭৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছেন, যা মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসে সর্বাধিক দূরত্ব হিসেবে চিহ্নিত। শনিবার সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরে এসে প্যারাশুটের মাধ্যমে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করেন তাঁরা। এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত সরাসরি সম্প্রচার করে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

পাঁচ দশক পর ফের চাঁদ অভিযানে নভোশ্চর পাঠিয়ে নতুন ইতিহাস রচনা করে নাসা। গত ২ এপ্রিল ভোরে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে তিনজন মার্কিন এবং একজন কানাডীয় মহাকাশচারীকে নিয়ে কমলা-সাদা বিশালাকৃতির মহাকাশযানটি চাঁদের উদ্দেশে রওনা দেয়। ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছায় সেটি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ৯৬০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে চাঁদের চারপাশে ঘুরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। তবে এই মিশনে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করা হয়নি; বরং চাঁদের কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করেই ফিরে আসে মহাকাশযানটি।

শুরু থেকেই এই অভিযানের প্রতিটি ধাপ ঘিরে ছিল বিশ্ববাসীর তীব্র আগ্রহ। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশের সময় মহাকাশযানটির গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার এবং তাপমাত্রা পৌঁছায় ২,৭৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এক পর্যায়ে প্রায় ছ’মিনিটের জন্য মহাকাশচারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত মিশন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণের পর হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন কম্যান্ডার রিড ওয়াইজম্যান, পাইলট ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ এবং কানাডীয় মহাকাশচারী জেরেমি হ্যানসেন। জানা গিয়েছে, সকলেই সুস্থ রয়েছেন এবং ভবিষ্যতে চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেছেন।

এর আগে নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছেই আর্তেমিস ২ পৃথিবীর মনোমুগ্ধকর একাধিক ছবি পাঠায়। কালো মহাশূন্যের পটভূমিতে নীল গ্রহের উজ্জ্বল ছবি বিশেষভাবে নজর কাড়ে। এছাড়াও মহাকাশযানের জানালা দিয়ে তোলা উচ্চমানের ছবিতে প্রশান্ত মহাসাগর এবং মেঘের ঘূর্ণায়মান নীল-সাদা বিন্যাস স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। পরবর্তীতে চাঁদের অন্ধকার দিক এবং তার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের ছবিও পাঠানো হয়।

Join Telegram

Join Now