অমিত শাহের কটাক্ষ: চণ্ডীগড়ের এক জনসভা থেকে অমিত শাহ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করে বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন পূরণ না হওয়ায় তিনি ‘নকল সংসদ’ বা মক পার্লামেন্টের মতো নতুন পথ বেছে নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, রাহুল গান্ধী যেন আজীবন এই নকল সংসদেরই প্রধানমন্ত্রী হয়ে থাকেন, কারণ আসল সংসদে তাঁর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ কোনও দিনই আসবে না।


১৯৮৪-র শিখবিরোধী দাঙ্গা প্রসঙ্গ: ১ নভেম্বর দিনটিতে রামলীলা ময়দানে কংগ্রেস তথা ইন্ডিয়া জোটের রাজনৈতিক সভা করা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, ১৯৮৪ সালের এই দিনটিতেই হাজার হাজার শিখকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। শিখ গণহত্যার বার্ষিকীতে এই ধরনের রাজনৈতিক জলসা আয়োজন করে কংগ্রেস শহিদদের ক্ষতে নুনের ছিটে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচনী ফলাফলের প্রসঙ্গ: গত ১৫ বছরে তিনটি নির্বাচনে কংগ্রেসের ব্যর্থতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শাহ দাবি করেন যে সোনিয়া গান্ধীর তাঁর ছেলেকে প্রধানমন্ত্রী দেখার স্বপ্ন কোনোদিনই পূরণ হবে না এবং আগামী নির্বাচনেও তাদের ভাগ্যে বিরোধী আসনেই বসা জোটার সম্ভাবনা রয়েছে।
শাসকদলের পালটা কর্মসূচি: ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া বা নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগে বিরোধীদের সরব হওয়ার বিপরীতে শাসকদল বিজেপি ‘গণতন্ত্র বাঁচাও ও নৈরাজ্য দূর করো’ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।












