শুভেন্দু অধিকারী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ এবং একে অপরকে দেওয়া হুঁশিয়ারি ও চ্যালেঞ্জের বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা।


- অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুঁশিয়ারি: তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন যে রাজ্যের কিছু পুলিশ আধিকারিক বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কথায় কাজ করছেন এবং তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’ দিচ্ছেন। তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যাঁরা ভাবছেন শুভেন্দু অধিকারীর অঙ্গুলি-হেলনে কাজ করবেন, প্রত্যেক অফিসারকে সাবধান করে দিয়ে যাচ্ছি, সরকার যখন বদলাবে, তখন কেউ বাঁচাবে না। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়… দু’বছরের মধ্যে কার কী পরিণতি হয় দেখব!”
- শুভেন্দু অধিকারীর পাল্টা আক্রমণ ও প্রতিক্রিয়া:
- ‘জনতার দরবার’ থেকে প্রতিক্রিয়া: অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মনে হয়, সোডিয়াম-পটাসিয়ামের সমস্যা হয়েছে। নিউ ইয়র্কে যেতে চাইছেন, যান। আমরা এনওসি করে দেব। আমরা সব দেখছি।”
- বারুইপুরের দলীয় কর্মসূচি থেকে চ্যালেঞ্জ: বারুইপুরে এক দলীয় সভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে অভিষেক ডায়মন্ড হারবার থেকে ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৯৩০ ভোটে জিতেছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, “২০২৯ সালে ভোটে দাঁড়াবেন। যত ভোটে জিতেছিলেন, তার চেয়ে একটা হলেও বেশি ভোটে জিতব। সিপিএমের ভোট পেলেও কিচ্ছু করতে পারবেন না।” এমনকি অভিষেকের জামানত বাজেয়াপ্ত করারও দাবি করেন তিনি।
- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শ: তৃণমূল নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আপনি দিল্লি যান। পশ্চিমবঙ্গে আর আপনার কিছু হবে না।”
- বিজেপি কর্মীদের নিয়ে বার্তা: শুভেন্দু আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, ভোটের সময় অভিষেক ও তৃণমূল নেতারা বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্যে যে ধরনের মন্তব্য করেছিলেন, তা বিজেপি কর্মীরা ভুলে যাননি। সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং তাঁর নির্দেশেই বিজেপি কর্মীরা এখন সংযত রয়েছে।











