‘এখনও সব শেষ হয়ে যায়নি’, কেকেআরের জন্য একশো শতাংশ দিতে মরিয়া পাথিরানা
দীর্ঘ চোট কাটিয়ে দু’দিন আগেই শহরে পৌঁছেছেন কেকেআরের শ্রীলঙ্কান পেসার মাথিশা পাথিরানা। আসার পরেই ইডেনে একাই অনুশীলনে নেমে পড়েন তিনি। ‘বেবি মালিঙ্গা’ নামে পরিচিত এই লঙ্কান পেসার এবার নিজের লক্ষ্যও স্পষ্ট করে দিয়েছেন।


পাথিরানার মতে, কেকেআরের জন্য এখনও সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়নি। সঠিকভাবে লড়াই চালিয়ে গেলে চলতি আইপিএলের এই মরশুমেও ভালো ফল করা সম্ভব। সেই লক্ষ্যেই নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিতে প্রস্তুত তিনি। মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তায় পাথিরানা বলেন, “আমি ব্যক্তিগত টার্গেট নিয়ে কখনও খেলতে নামি না। তাই এ মরশুমে নিজের জন্য কোনও চাঁদমারিও সেট করিনি। আমার লক্ষ্য একটাই। একশো শতাংশ দিয়ে টিমকে সাহায্য করা।”
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ এপ্রিল লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে একানা স্টেডিয়ামে মাঠে নামতে পারেন এই শ্রীলঙ্কান পেসার। তাঁর দলে ফেরা কেকেআরের জন্য নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তি। কারণ পেস বিভাগে কার্তিক ত্যাগী ভালো পারফর্ম করলেও, বৈভব অরোরা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। অথচ আইপিএল শুরুর আগে বৈভব নিজেই বলেছিলেন, হর্ষিত রানার অনুপস্থিতিতে তাঁকেই পেস আক্রমণের নেতৃত্ব নিতে হবে। তবে পাথিরানা দলে যোগ দিলে স্বাভাবিকভাবেই পেস বোলিংয়ের নেতৃত্ব তাঁর হাতেই যাবে। ত্যাগী তাঁর সঙ্গী হিসেবে থাকবেন, আর বৈভবকে হয়তো নির্দিষ্ট ভূমিকায় ব্যবহার করা হবে।
গত রবিবার ইডেনে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে স্বস্তির জয় পেয়েছে কেকেআর, যা চলতি মরশুমে তাদের প্রথম জয়। ছয় ম্যাচ পর সেই জয় এলেও প্লে-অফের রাস্তা এখনও কঠিন। এক জয় সত্ত্বেও পয়েন্ট টেবিলের একেবারে তলানিতেই রয়েছে নাইটরা। এই পরিস্থিতিতে পরপর ম্যাচ জেতা ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই। তবে পাথিরানা আশাবাদী। তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি না সব শেষ হয়ে গিয়েছে। অন্তত জেতার চেষ্টা আমাদের চালিয়ে যেতে হবে। আমি নিজেও খুব উত্তেজিত। লম্বা সময়ের পর কেকেআরের সংসারে আসতে পারলাম। নতুন টিম। নতুন পরিবেশ। বেশ ভালোই লাগছে আমার।”
এদিকে বুধবার দুপুরে চার্টার্ড ফ্লাইটে লখনউয়ের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে কেকেআর। আগামী শনিবার ঋষভ পন্থদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামবে তারা।










