পূর্ব বর্ধমানের জনপ্রিয় উৎসবগুলোর মধ্যে বর্ধমান মাঘ উৎসব বর্তমানে একটি জনপ্রিয় ও অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। এই উৎসবের প্রাণ পুরুষ বর্তমান বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার।”শিখরের টানে মাটির গানে” ছিল উৎসবের ট্যাগ লাইন।কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির সাথে পাল্লা দিয়ে এবারে সেই ট্যাগ লাইন হয়েছে “শিখরের সাথে আধুনিকতার পথে”।12 বছর ধরে বাংলার নামী দামী শিল্পীরা এই মঞ্চে আসছেন।বর্তমানে পরেশ চন্দ্র সরকার এর নাতি নাতনীরা এই উৎসবের গুরু দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।
82 বছরের এক তরুণ এই উৎসবের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নেতৃত্ব দিয়ে বর্ধমান সহ পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গার মানুষ কে আনন্দ দিয়ে চলেছেন।

২০২৬ সালের মাঘ উৎসবের বর্তমান প্রেক্ষাপট ও বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
উৎসবের সময়কাল ও স্থান –
এই উৎসব সাধারণত জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে বা মাঘ মাসের শুরুতে অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৬ সালের সূচি অনুযায়ী:

- তারিখ: উৎসবটি মূলত জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখ থেকে শুরু হয়ে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে।
- প্রধান আকর্ষণ: মূলত উৎসবের বেশ কয়েক দিন সবচেয়ে বেশি জাঁকজমকপূর্ণ হয়।যেখানে উৎসব ময়দান মাঠ ছিল উপচে পড়া ভিড়।
- স্থান: বর্ধমান শহরের বাঁকার মাঠ বা উৎসব মাঠে এই মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিল্পী তালিকা (২০২৬)
মাঘ উৎসবের মূল আকর্ষণ হলো প্রতিদিন সন্ধ্যায় নামী শিল্পীদের সমাগম। ২০২৬ সালের সম্ভাব্য বা প্রচলিত সূচি অনুযায়ী যারা পারফর্ম করছেন:- ফসিলস্ (Fossils), ফকিরা (Fakira), জিৎ গাঙ্গুলী, শিলাজিৎ এর নামিদামি শিল্পীরা।
- এই সকল প্রথিতযশা শিল্পীদের উপস্থিতিতে মেলা প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে।
- স্থানীয় শিল্প: বর্ধমানের স্থানীয় লোকগীতি, বাউল গান,আধুনিক গান এবং বিভিন্ন নাচের বিশেষ আসরও এখানে বসে।
মেলার প্রধান বৈশিষ্ট্য
সামাজিক মিলনমেলা: জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে বর্ধমান এবং আশেপাশের জেলার কয়েক হাজার মানুষ এই উৎসবে সামিল হন।
সব শেষে একটি কথা না বললেই নয় – এই মুহূর্তে বাংলায় যে সমস্ত উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে বর্ধমান মাঘ উৎসব তার মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে একথা এক বাক্যে স্বীকার করে নিতেই হয়।











