খুন করে ঘরের মধ্যে পুঁতে দেওয়ার ঘটনায় দেহ তোলার কাজ শুরু হলো

তিন বছর আগে নিজের মাকে খুন করে ঘরের মধ্যে পুঁতে দেওয়ার ঘটনায় বুধবার সকাল থেকে দেহ তোলার কাজ শুরু হল। আদালতের অনুমতি নিয়েই দেহ তুলে পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনাটির জেরে চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমানের হাঁটুদেওয়ানের পীরতলা এলাকায়। বছর পঞ্চান্নের সুখরুনা বিবি ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে নিখোঁজ ছিল। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করার পর তাঁকে খুঁজে না পেয়ে ঐবছর ২২ ফেব্রুয়ারি বর্ধমান থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করে মহিলার বড় ছেলে কিসমত আলি। তারপরেও খোঁজ মেলেনি।
ছোট ছেলে শেখ নয়ন ঐবছরেই বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে লাগাতার বৌয়ের উপর নির্যাতন চালাতো। মাকে মেরে ঘরে পুঁতে দেওয়ার ঘটনার কথা স্ত্রীকে জানায়। কাউকে বলে দিলে তাঁকেও মেরে পুঁতে দেওয়া হবে বলে ভয় দেখাত সে। আতঙ্কে মাস ছয়েক আগে বাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে যায় তার স্ত্রী। সেখানে গিয়ে পরিবারের লোকের কাছে একথা জানায়।
বুধবার কিসমত আলি ভাইয়ের বৌয়ের বাপের বাড়িতে গিয়ে বৌমাকে ফিরিয়ে আনার জন্য কথা বলতে যায়। তখন জানতে পারে তাঁর ভাইয়ের কাণ্ড। মাকে মেরে দিয়ে নিজের ঘরের মেঝেতেই পুঁতে দেওয়ার কথা শুনে থানার দ্বারস্থ হয় সে। গোটা ঘটনা শুনে নড়ে চড়ে বসে বর্ধমান থানার পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।