বর্ধমান রাজনীতি দেশ-বিদেশ দক্ষিণবঙ্গ ক্রাইম স্বাস্থ্য ধর্ম লাইফ-স্টাইল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি চাকরি কৃষি-কাজ রেসিপি ক্রিকেট ফুটবল
---Advertisement---

ঋতব্রত শিবিরের বিরুদ্ধে পুলিশে গেল মমতার তৃণমূল

Published on: June 28, 2026
---Advertisement---

Join WhatsApp

Join Now

দলের নাম ও প্রতীক ভাঁড়ানোর অভিযোগ: ঋতব্রত শিবিরের বিরুদ্ধে পুলিশে গেল মমতার তৃণমূল

তৃণমূল কংগ্রেসের নাম, প্রতীক এবং পদাধিকার ব্যবহার করে কর্মীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিল কালীঘাট তৃণমূল। দলের বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বিরুদ্ধে জোড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ তথা জাতীয় যুগ্ম সম্পাদক দোলা সেন।

কালীঘাট এবং নিউটাউন থানায় দায়ের করা এই অভিযোগে ঋতব্রত ছাড়াও অরূপ রায়, জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা এবং বিপ্লব মিত্রের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মূল অভিযোগসমূহ:

  • অবৈধ সমান্তরাল সংগঠন: দলীয় কর্মীদের বিভ্রান্ত করতে ঋতব্রতেরা অবৈধভাবে একটি সমান্তরাল সংগঠন চালানোর চেষ্টা করছেন।
  • ভুয়া পদাধিকারের দাবি: গত সোমবার বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে দেওয়া একটি চিঠিতে ঋতব্রত নিজেকে তৃণমূলের ‘সাধারণ সম্পাদক’ বলে দাবি করেন। কালীঘাট তৃণমূলের স্পষ্ট বক্তব্য, দলকে তাঁকে এমন কোনো পদ দেয়নি। একইভাবে জাভেদ খান ও সন্দীপন সাহাও নিজেদের ‘সাধারণ সম্পাদক’ পরিচয় দিয়ে কাউন্সিলরদের বৈঠক ডেকেছেন।
  • ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা: দলের নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে অবৈধ কাজ করা হচ্ছে এবং এর ফলে তৃণমূলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।

🏨 নিউটাউনের ‘বিশেষ অধিবেশন’ ও নেপথ্যের ষড়যন্ত্র:

গত সোমবার (২২ জুন) নিউটাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে ঋতব্রত শিবিরের তরফে তৃণমূলের একটি ‘বিশেষ অধিবেশন’ ডাকা হয়েছিল। সেখানে কয়েকজন বিধায়ক ও প্রাক্তন বিধায়কের উপস্থিতিতে একটি নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করা হয়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, সেই কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো স্থান ছিল না।

কালীঘাট তৃণমূলের ধারণা, এই বিদ্রোহী পদক্ষেপের নেপথ্যে অন্য কোনো প্রভাবশালী মাথা রয়েছে। নিউটাউন থানার ওসি-কে চিঠিতে এই ‘নেপথ্যচারীদের’ খুঁজে বের করার আবেদন জানানো হয়েছে।

🔍 পুলিশের কাছে তৃণমূলের আর্জি:

সাংসদ দোলা সেন পুলিশের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন যাতে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে এফআইআর (FIR) দায়ের করে একটি ‘স্বচ্ছ এবং সবিস্তার’ তদন্ত শুরু করা হয়। বিশেষ করে নিচের বিষয়গুলি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করা হয়েছে: ১. ঋতব্রতেরা কীভাবে দলের নামে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করছেন? ২. তাঁদের এই সমস্ত কাজকর্ম ও বিজ্ঞাপনের ছাপার খরচ কোথা থেকে আসছে? ৩. সমাজমাধ্যমে (Social Media) কোন কোন অ্যাকাউন্ট থেকে এই ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূলের বার্তা ছড়ানো হচ্ছে?

💬 পাল্টা জবাব ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের:

এই পুলিশি অভিযোগ প্রসঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা আত্মবিশ্বাসের সুরে জানান:

“অভিযোগ যে কেউ জানাতেই পারেন। দেশে আইন এবং নির্বাচন কমিশন বলে কিছু ব্যাপার আছে। সেই আইন আর নির্বাচন কমিশনের উপর ভরসা থাকুক।”

Join Telegram

Join Now