ভোটের মুখে বড় স্বস্তি! পবিত্রর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপে স্থগিতাদেশ
হুমকি ও ছিনতাই সংক্রান্ত মামলায় ভোটের আগে বড় স্বস্তি পেলেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী Pabitra Kar। আপাতত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারবে না পুলিশ, যদিও তদন্ত প্রক্রিয়া চালু থাকবে। বৃহস্পতিবার Ajay Kumar Mukherjee-এর বেঞ্চ থেকে এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তির হাওয়া শাসকদলের শিবিরে।


গত ৭ এপ্রিল নন্দীগ্রামের কৃষ্ণনগর এলাকার বাসিন্দা বুদ্ধদেব গিরি পবিত্র করের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পবিত্র-সহ মোট চার জনের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ৬ এপ্রিল নিজের বাড়ির সামনে বসে ছিলেন বুদ্ধদেব। সেই সময় ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার পথে দলবল নিয়ে উপস্থিত হয়ে তাঁকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে বলেন পবিত্র। তিনি অস্বীকার করায় মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ।
এছাড়াও অভিযোগ, বুদ্ধদেবের কাছ থেকে ৩ হাজার ৭০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনার পর নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের হয় পবিত্রর বিরুদ্ধে। এরপর ১০ এপ্রিল কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন পবিত্র কর এবং এফআইআর খারিজের আবেদন জানান। পাশাপাশি সুরক্ষার দাবিতে জরুরি শুনানির আবেদনও করেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অজয়কুমার মুখোপাধ্যায়ের এজলাসে মামলার শুনানি হয় এবং আদালত জানায়, আপাতত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না।
উল্লেখ্য, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম হটস্পট নন্দীগ্রাম। এবারের লড়াইয়ে মুখোমুখি Pabitra Kar এবং Suvendu Adhikari। নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর রাজনৈতিক প্রভাব যেমন প্রবল, তেমনই পবিত্ররও নিজস্ব সংগঠন ও প্রভাব রয়েছে বলে মনে করা হয়। একসময় শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন পবিত্র। ২০২১ সালের নির্বাচনে তাঁর অনুগামী হিসেবেই বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। তবে পরে রাজনৈতিক মতভেদের জেরে সরে দাঁড়ান সক্রিয় রাজনীতি থেকে।
পরবর্তীতে, গত ১৭ মার্চ Abhishek Banerjee-এর হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন পবিত্র কর। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নন্দীগ্রামে এবারের লড়াইয়ে কার্যত ‘কাঁটা দিয়ে কাঁটা’ তোলার কৌশল নিয়েছে শাসকদল।












