বর্ধমান রাজনীতি দেশ-বিদেশ দক্ষিণবঙ্গ ক্রাইম স্বাস্থ্য ধর্ম লাইফ-স্টাইল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি চাকরি কৃষি-কাজ রেসিপি ক্রিকেট ফুটবল
---Advertisement---

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা জমিয়ে স্কুটি

Published on: April 9, 2026
---Advertisement---

Join WhatsApp

Join Now

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা জমিয়ে স্কুটি, সেই বাহনেই তৃণমূলের প্রচারে আদিবাসী বধূ

বীরভূমের সাঁইথিয়া ব্লকের দেড়িয়াপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দইকোটা গ্রামের বাসিন্দা আদিবাসী বধূ নন্দী সরেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা সঞ্চয় করে একটি স্কুটি কিনেছেন। বর্তমানে সেই স্কুটিতেই চেপে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচারে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন।

এই নির্বাচনে তিনি কার্যত তৃণমূলের প্রচারের অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় নিয়মিত আর্থিক সহায়তা পাচ্ছিলেন তিনি। সাধারণত সংসারের খরচেই সেই টাকা ব্যয় হওয়ার কথা থাকলেও, নন্দী ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় পাঁচ বছর ধরে ধীরে ধীরে টাকা জমাতে থাকেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর মায়ের প্রাপ্ত অর্থও সঞ্চয় করেন।

অবশেষে সেই সঞ্চিত অর্থ এবং পরিবারের আর্থিক সহায়তা মিলিয়ে প্রায় ৭৪ হাজার টাকা দিয়ে একটি বৈদ্যুতিক স্কুটি কেনেন নন্দী। সম্পূর্ণ নগদ অর্থেই কেনা হয় স্কুটিটি।

স্কুটি কেনার পর সেটিকে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ব্যবহারে সীমাবদ্ধ রাখেননি তিনি। বরং সেটিকেই তিনি নির্বাচনী প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন। স্কুটিতে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা বেঁধে গ্রাম থেকে গ্রামে ঘুরে প্রচার চালাচ্ছেন নন্দী।

নন্দীর কথায়, “লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা আমি খরচ করিনি, জমিয়ে রেখেছিলাম। পাশাপাশি মায়ের লক্ষ্মীর ভান্ডারে জমানো কিছু টাকাও নিয়েছি। সেই টাকা দিয়েই স্কুটি কিনেছি। কিন্তু আমার কাছে স্কুটি কেনাটাই বড় কথা নয়। যাঁর জন্য এই সুবিধা পেয়েছি, তাঁকে আবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। আমাদের মতো মহিলারা ভবিষ্যতেও যাতে এই সাহায্য পায়, তাই আমি নিজেই প্রচারে নেমেছি।”

শুধু সাঁইথিয়াতেই নয়, ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকাতেও একই ছবি দেখা যাচ্ছে। ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের একাধিক মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা সঞ্চয় করে এবং পরিবারের সহায়তায় স্কুটি কিনেছেন। তাঁরাও সেই স্কুটিতে দলীয় পতাকা লাগিয়ে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিচ্ছেন।

Join Telegram

Join Now