পূর্ব বর্ধমান জেলার একটি অন্যতম জনপ্রিয় এবং বর্ণাঢ্য উৎসব হলো কাঞ্চন উৎসব। মূলত বর্ধমান শহরের উপকণ্ঠে কাঞ্চননগর অঞ্চলে এই উৎসব পালিত হয়। নিচে এই উৎসব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো:
উৎসবের প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস–

খোকন দাস এই উৎসবের সূচনা করেন ।18 তম বছর এই মেলার উদ্বোধন করলেন বলিউড অভিনেত্রী কাজল।মুম্বাই এর প্রায় সমস্ত নামিদামি সঙ্গীত শিল্পী এই উৎসব মঞ্চে অনুষ্ঠান করে গেছেন।

Read more – https://www.facebook.com/share/v/1A2DZEnVqp/
কাঞ্চন উৎসব মূলত কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয়। এটি শুধুমাত্র একটি মেলা নয়, বরং বর্ধমানের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি মিলনমেলা। সাধারণত প্রতি বছর জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি মাসে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসবের মূল আকর্ষণসমূহ
- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: মেলা চলাকালীন প্রতিদিন সন্ধ্যায় নামী-দামি শিল্পী এবং স্থানীয় প্রতিভাদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গান, নাচ এবং নাটকের আসর বসে এখানে।
- প্রদর্শনী ও স্টল: সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের স্টল থাকে। কৃষি, হস্তশিল্প এবং কুটির শিল্পের ওপর বিশেষ প্রদর্শনী দেখা যায়।
- খাবারের মেলা: বর্ধমানের বিখ্যাত সিতাভোগ ও মিহিদানা তো থাকেই, তার পাশাপাশি চপ-কাটলেট থেকে শুরু করে আধুনিক নানা পদের খাবারের সমাহার ঘটে এই মেলায়।
- আনন্দমেলা: শিশুদের জন্য নাগরদোলনা, ব্রেকিং ড্যান্স এবং বিভিন্ন রাইডের ব্যবস্থা থাকে, যা মেলায় এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে।
সামাজিক গুরুত্ব –
কাঞ্চন উৎসবের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় কুটির শিল্পকে উৎসাহ দেওয়া এবং মানুষের মধ্যে সংহতি বজায় রাখা। বর্ধমানের মানুষ জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে এই উৎসবে শামিল হন। এটি জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং স্থানীয় উৎসব কমিটির উদ্যোগে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়।












