ক্যান্সার একটি জটিল রোগ, তবে প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়া সম্ভব। নিচে ক্যান্সারের সাধারণ কিছু লক্ষণ এবং চিকিৎসার তথ্য দেওয়া হলো।
ক্যান্সারের সাধারণ কিছু লক্ষণ
শরীরের কোনো পরিবর্তন যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় (সাধারণত ৩ সপ্তাহের বেশি), তবে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
READ more – https://www.facebook.com/reel/742888345536001


- অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস: কোনো ডায়েট বা ব্যায়াম ছাড়াই হঠাৎ অনেকটা ওজন কমে যাওয়া।
- দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি: পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও যদি সবসময় ভীষণ ক্লান্তি অনুভব হয়।
- শরীরে চাকা বা দলা: স্তন, অন্ডকোষ বা শরীরের যেকোনো অংশে অস্বাভাবিক ফোলা বা শক্ত কিছু অনুভব করা।
- ক্ষত না সারা: শরীরের কোনো ঘা বা ক্ষত যদি দীর্ঘ সময় ধরে না সারে।
- তিল বা আঁচিলের পরিবর্তন: শরীরে থাকা কোনো তিলের রঙ, আকৃতি বা আয়তনে পরিবর্তন আসা।
- ক্রমাগত কাশি: দীর্ঘদিনের কাশি বা কাশির সাথে রক্ত আসা (ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে)।
- পাচনতন্ত্রের পরিবর্তন: কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া দীর্ঘস্থায়ী হওয়া অথবা মলত্যাগের অভ্যাসে বড় পরিবর্তন।
- গিলতে সমস্যা: খাবার গিলতে অসুবিধা বা গলায় কিছু আটকে থাকার মতো অনুভূতি।
চিকিৎসা কোথায় করাবেন?
ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য সাধারণত অনকোলজিস্ট (Oncologist) বা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হয়। ভারতে উন্নত চিকিৎসার অনেক সুযোগ রয়েছে:
ভারতে উন্নত চিকিৎসার স্থান:
১. টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতাল (মুম্বাই): এশিয়ার অন্যতম সেরা এবং সাশ্রয়ী ক্যান্সার হাসপাতাল।
২. অ্যাপোলো প্রোটন ক্যান্সার সেন্টার (চেন্নাই): এখানে ক্যান্সার চিকিৎসার আধুনিকতম প্রযুক্তি ‘প্রোটন থেরাপি’ পাওয়া যায়।
৩. ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ (CMC, ভেলোর): উন্নত চিকিৎসা ও নির্ভুল ডায়াগনোসিসের জন্য পরিচিত।
৪. এইচসিজি (HCG) ক্যান্সার সেন্টার: ব্যাঙ্গালোরসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে এদের শাখা আছে।- মনে রাখা জরুরি লক্ষণ দেখা দেওয়ার মানেই ক্যান্সার নয়, তবে ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত পরীক্ষা করা উচিত। বায়োপসি, সিটি স্ক্যান বা এমআরআই-এর মাধ্যমে ডাক্তাররা রোগ নিশ্চিত করেন।
পরামর্শ: কোনো লক্ষণ দেখে আতঙ্কিত না হয়ে প্রথমে একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বা অনকোলজিস্ট দেখান।












