নোবেলজয়ী ‘ভারতরত্ন’ অমর্ত্য সেনকে নির্যাতন দেশদ্রোহিতা, উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সহ কর্মসচিব ও জনসংযোগ আধিকারিকের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে শান্তিনিকেতন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিশ্বভারতীর এক প্রাক্তন ছাত্রী তৃষারানী ভট্টাচার্য। সঙ্গীত ভবনের ওই প্রাক্তন ছাত্রী জানান, একজন ভারতরত্নকে জমি দখলকারী, জমি কব্জাকারী বলা যায় না।
নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন জমি দখল করে রেখেছেন, এই অভিযোগ তুলে একাধিকবার বেনজির ভাবে আক্রমণ করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। শুধু তাই নয়, অমর্ত্য সেনকে উচ্ছেদের হুঁশিয়ারি দিয়ে শান্তিনিকেতনে তাঁর ‘প্রতীচী’ বাড়িতে নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, সংবাদমাধ্যম সহ বেশ কিছু জায়গায় বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী ‘ভারতরত্ন’ অমর্ত্য সেনকে ‘জমি দখলকারী’, ‘জমি কব্জাকারী’, জমি হরফকারী’ বলে বেনজির আক্রমণ করেছেন৷ যা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে সর্বত্র। ইতিমধ্যেই বিদ্বজনেরা পাঁশে দাঁড়িয়েছেন অমর্ত্য সেনের৷

এবার বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সহ ভারপ্রাপ্ত কর্মসচিব অশোক মাহাত ও ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ তুলে সরব হলেন এক প্রাক্তন ছাত্রী৷ বিশ্বভারতীর সঙ্গীতভবনের কথাকলি বিভাগের প্রাক্তন ছাত্রী তৃষা রানী ভট্টাচার্য এদিন শান্তিনিকেতন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অমর্ত্য সেন নোবেলজয়ী, দেশ বিদেশের তাঁর খ্যাতি রয়েছে, তিনি দেশ-বিদেশের বহু সম্মাননায় সম্মানিত৷
