মহিলার গলাকাটা দেহ উদ্ধার

পূর্ব বর্ধমান :- জঙ্গলে যুবতীর গলার নলী কাটা দেহ উদ্ধার কে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলো বর্ধমানের কুল্লু গ্রামে। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে সে বিষয়ে ধন্দে এলাকা বাসী। দোষীদের স্বাস্তির দাবীতে সরব বৈকুণ্ঠ পুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ও পরিবারের লোকজন।ঘটনাস্থলে হাজির শক্তিগর থানার পুলিশ।

মাঠের ধারে চিত্ হয়ে পড়ে রয়েছে এক মহিলার মৃতদেহ। ওড়না দিয়ে ঢাকা মুখ। গলার পাশ দিয়ে বয়ে যাচ্ছে রক্ত। চাপ চাপ রক্তে শুকিয়ে জমাট বেঁধেছে মৃত দেহের চারিপাশে।সকাল হতেই তাঁদের পরিচিত মেয়ের ভয়ঙ্কর এই দৃশ্য দেখে চমকে ওঠেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃতের নাম মৌমিতা দে (৩৭)।মৌমিতার বাড়ি বর্ধমানের কুল্লু গ্রামের বাবুপুকুর পাড়ে।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৌমিতা পরিচারিকার কাজ করতেন।রবিবার বিকালে কাজে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হন।এরপর সে আর বাড়ি ফেরেন নি।তার মোবাইলের সুইচ বন্ধ ছিলো। রাতে পরিবারের পক্ষথেকে অনেক খোঁজ খবর করা হলেও কোনো খোঁজ পাওয়া যায় নি।

সকালেই থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করবেন বলে ভেবেছিলেন। কিন্তু তাঁর আগেই গ্রামবাসীদের মারফত মৌমিতা মৃত্যুর খবর পৌছায় পরিবারের কাছে।কান্নায় ভেঙ্গে পরেন পরিবারের লোকজন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, দেহটি চিত্ হয়ে পড়েছিল। গায়ের পোশাক সব ঠিক ছিল। তবে গলার নলি কাটা। সেখান থেকে চাপ চাপ রক্ত বের হচ্ছিল।

বর্ধমান-কালনা রোডের পাশে বাগমারি এলাকায় গলা কাটা অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। বাড়িতে খবর দেওয়া হলে মৌমিতার বাবা গিয়ে মৃতদেহ শণাক্ত করেন। পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, তাঁকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বর্ধমান পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে।

তবে কী কারণে খুন হয়ে থাকতে পারেন মৌমিতা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পরিবারের সদস্যরাও এই ব্যাপারে কোনও ‘ক্লু’ দিতে পারছেন না। বাবা বলেন, “কাল বিকাল পাঁচটার কাজে যাচ্ছিল বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিল। কাল আমার মায়ের কাজ ছিল। আমাদের এলাকাতেই এক বাড়িতে রান্নার কাজ করত। সকাল আর সন্ধ্যায় রান্না করতে যেত।

কাল রাতে বাড়ি ফিরছিল না বলে কাজের জায়গায় খোঁজ নিতে যাই। গিয়ে জানতে পারি, ও বলেই এসেছিল যে কাজে যাবে না। বাড়িতে কোনও অশান্তি হয় নি। কিন্তু কেন খুন, বুঝতে পারছি না। বৈকুণ্ঠ পুর ১ গ্ৰাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান জয়দেব ব্যানার্জি বলেন শান্ত পরিবেশ কে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *