যোগীর ‘বুলডোজার’ হুঁশিয়ারির পালটা, বাংলায় ভালোবাসার বার্তা মমতা
ভোটের আবহে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বাংলার রাজনৈতিক ময়দান। দিন যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে বিভিন্ন দলের প্রচারের তীব্রতা। একদিকে, শাসকদলের সমর্থনে রাজ্যজুড়ে সভা ও রোড শো করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, বিজেপি তাদের প্রচারে দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্বের উপরই নির্ভর করছে। এবারের নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের তারকা প্রচারকদের তালিকায় রয়েছে একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।


রবিবার প্রথম দফার প্রচারে বাংলায় আসেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেখানেই ফের ‘বুলডোজার’ প্রসঙ্গ তুলে কড়া বার্তা দেন তিনি। তারই পালটা জবাবে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমরা কোনও বুলডোজার নীতিতে বিশ্বাস করি না, আমরা ভালোবাসায় বিশ্বাসী।”
রবিবার কাঁথি-সহ একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচারে অংশ নেন যোগী আদিত্যনাথ। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যু তুলে ধরেন তিনি এবং কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান। ফিরহাদ হাকিমের উর্দু সংক্রান্ত বিতর্ক থেকে শুরু করে ‘বুলডোজার’ নীতি—সব ক্ষেত্রেই উত্তরপ্রদেশের মডেলের কথা তুলে ধরেন তিনি। এর জবাবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূল সুপ্রিমো প্রতিক্রিয়া জানান।
সোমবার সিউড়িতে প্রচারে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কাল এসে এখানে বলেছেন, উত্তরপ্রদেশের মতো এখানেও বুলডোজার চলবে। মানেটা কী? আমরা বুলডোজার-নীতিতে বিশ্বাস করি না। আমরা ভালোবাসার নীতি বিশ্বাস করি।” পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ‘‘বিজেপির কাছ থেকে টাকা নেবেন না। ভুল করবেন না। আমার কাজ আপনাদের সতর্ক করা। অ্যাকাউন্ট বানিয়ে টাকা দেবে বলে কালো টাকা দিয়ে দেবে। তার পর ইডি-সিবিআইয়ের মামলা করবে।”
সিউড়ি কেন্দ্রে এবার তৃণমূলের প্রার্থী উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়। তবে তাঁর সমর্থনে প্রচারে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘উজ্জ্বল নয়, এখানে ধরে নিন আমিই প্রার্থী। তৃণমূলের নেতৃত্বে সরকার চাইলে ২৯৪ আসনে আমাকেই প্রার্থী বলে ভেবে নিন।”











