বর্ধমান রাজনীতি দেশ-বিদেশ দক্ষিণবঙ্গ ক্রাইম স্বাস্থ্য ধর্ম লাইফ-স্টাইল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি চাকরি কৃষি-কাজ রেসিপি ক্রিকেট ফুটবল
---Advertisement---

মতুয়াগড় বনগাঁ থেকে চ্যালেঞ্জ মমতার

Published on: April 7, 2026
---Advertisement---

Join WhatsApp

Join Now

‘বাদ পড়া নাম তুলতে ট্রাইব্যুনালে যাব’, মতুয়াগড় বনগাঁ থেকে চ্যালেঞ্জ মমতার

এসআইআর সংক্রান্ত বিচারাধীন নামগুলির নিষ্পত্তির পর সোমবার গভীর রাতে ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিচারাধীন প্রায় ৬০ লক্ষ নামের মধ্যে ৩২ লক্ষের কিছু বেশি ব্যক্তিকে ‘যোগ্য’ ভোটার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩২ হাজার নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে।

তবে এই বাদ পড়া নামগুলির মধ্যে ঠিক কারা রয়েছেন তাঁরা সবাই মৃত নাকি অবৈধ ভোটার, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি কমিশন। এই পরিস্থিতিতে মতুয়াগড় বনগাঁয় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, ”বাদ পড়া ভোটারদের নাম তুলতে ট্রাইব্যুনালে যাব।

চেষ্টা করব ভোটের আগেই নাম তোলার। ওরা ষড়যন্ত্র করেছে ভোট শেষে নামগুলো তুলে দেওয়ার। কোনও মেয়ে হয়ত বিয়ে করে অন্য জায়গায় চলে গেছে, তার নাম কেটে দিয়েছে। এভাবেই নাম কেটেছে। এই নামগুলো তুলতে হবে।”

মঙ্গলবার বনগাঁর খয়রামাড়ি স্টেডিয়ামে পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের নিয়ে জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর তালিকা থেকে বহু মতুয়ার নাম বাদ পড়া এবং ঠাকুরবাড়ির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপের মাঝেই তাঁর বক্তব্যের দিকে নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের। সভার শুরুতেই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার প্রসঙ্গে সরব হন তিনি।

তাঁর বক্তব্য, ”৩২ লক্ষের নাম উঠেছে ট্রাইব্যুনালে। বাকি নাম সব বাদ দিয়েছে। বাদ যাওয়া নামগুলো তুলতে আমি ট্রাইব্যুনালে যাব। দেখছি, ভোটের আগে যদি নাম তোলা যায়। ওরা ষড়যন্ত্র করেছে ভোট শেষে নামগুলো তুলে দেওয়ার। জেনে রাখুন, আমরা ডিটেনশন ক্যাম্প হতে দেব না।” একই সঙ্গে তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, ”এখনও পর্যন্ত ৯০ হাজার নাম বাদ পড়েছে। এদের মধ্যে ২০ হাজার বাদ যেতে পারে। কোনও মেয়ে হয়ত বিয়ে করে অন্য জায়গায় চলে গেছে, তার নাম কেটে দিয়েছে। এভাবেই নাম কেটেছে। এই নামগুলো তুলতে হবে।”

বনগাঁর প্রচারসভায় ঠাকুরবাড়ির পারিবারিক রাজনীতির প্রসঙ্গও উঠে আসে। এবারের নির্বাচনে বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাগদা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন ঠাকুরবাড়ির সদস্য মধুপর্ণা ঠাকুর, অন্যদিকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ঠাকুরবাড়ির বউমা সোমা ঠাকুর। ফলে সেখানে প্রচারযুদ্ধ ইতিমধ্যেই তীব্র আকার নিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পারিবারিক বিভাজন নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে মমতা বলেন, ”ঠাকুরবাড়িতে ভেদাভেদের রাজনীতি চলছে। আমি বলে রাখছি, এসব করে কোনও লাভ হবে না।”

Join Telegram

Join Now